164 বার ভিউ
"রোগ ব্যাধি" বিভাগে করেছেন

অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণের উপায় কী জানতে চাই ?

অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণের উপায় জানতে চাই ?

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন

অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণের উপায় জানতে চাই ?

যাদের অ্যাজমার সমস্যা আছে, শীতকালে তাদের বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয়। অ্যাজমার সেই অর্থে প্রতিকার নেই; তবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। আর শীতকালে অ্যাজমা কিভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, তা নিয়েই আজকের টিপস:

ধূমপান: ধূমপানের কারণে অনেক জটিল সমস্যার উদ্ভব হয়। আর অ্যাজমা থাকলে তো কথাই নেই। তাই এই বদ-অভ্যাস বর্জন অথবা সম্ভব কমিয়ে ফেলাই মঙ্গলজনক।

ধুলাবালি: এই শীতে ধুলাবালি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করতে হবে। বাসস্থান এবং শয়নকক্ষটি অবশ্যই ধুলাবালিমুক্ত রাখুন।

ফুলের ঘ্রাণ: ফুলের ঘ্রাণ অ্যালার্জির কারণ হতে পারে। শীত মৌসুমে ফুলের ঘ্রাণ এড়িয়ে চলাই ভালো। অ্যাজমাজনিত সমস্যা থাকলে ফুলের ঘ্রাণ ও বাড়ন্ত গাছের পাতার গন্ধ এড়িয়ে চলুন।

অতিরিক্ত গরম বা ঠাণ্ডা: শীত মৌসুমে এসি এড়িয়ে চলাই মঙ্গলজনক। ঠাণ্ডার হাত থেকে রক্ষা পেতে এসি বাড়িয়ে দেওয়ার অভ্যাস অ্যাজমাজনিত সমস্যাকে আরো প্রকট করবে। আবার অতিরিক্ত ঠাণ্ডা থেকে রক্ষা পেতে বেশি গরম কাপড়চোপড় পরিধান করাও হিতে বিপরীত হতে পারে।

ব্যায়াম করুন: নিয়মিত ব্যায়ামে অ্যাজমা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। তাই শীতে ব্যায়ামের ওপর জোর দিন।

আরো পড়ুন: বয়স বাড়লে শরীরে যেসব পরিবর্তন ঘটে

বয়স বেড়ে যাওয়া নিয়ে নারী পুরুষ সবার মধ্যেই কম-বেশী উত্কণ্ঠা রয়েছে। বয়স তো আটকানো যায় না। কিন্তু বয়স বাড়ার গতি যদি একটু কমিয়ে দেয়া যায়, অথবা শরীরে বয়সের ছাপ যাতে দেরিতে আসে, এ নিয়ে বিজ্ঞানীদের নানা ধরণের গবেষণাও রয়েছে।

বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, শরীরবৃত্তীয় নয়টি উপসর্গের মাধ্যমে বোঝা যায় যে আপনার বয়স হচ্ছে। স্পেনের বিজ্ঞানী ম্যানুয়েল সেরানো সেই দলে রয়েছেন।তিনি বলছেন, একেকজন মানুষের বয়স বাড়ার লক্ষণ একেক রকম, কিন্তু সবারই তো বয়স বাড়ছেই।গবেষণায় তারা দেখেছেন, মানুষসহ যেকোন স্তন্যপায়ী প্রাণীর বয়স বাড়ার লক্ষণ প্রায় একই, অর্থাত্‍ যে সব শরীরবৃত্তীয় পরিবর্তন ঘটে তা প্রায় একই রকম।

ডিএনএ ক্ষয়প্রাপ্ত হতে থাকে: আমাদের ডিএনএ শরীরের ভেতরকার কোষগুলোর মধ্যে প্রবাহিত এক ধরণের জেনেটিক কোড। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর মধ্যে ভুল হবার সুযোগ বাড়ে। সেই ভুলগুলো শরীরের কোষের মধ্যে জমা হতে থাকে। এ সময়ে জেনেটিক স্থায়িত্ব কমে যায়, যে কারণে স্টেম সেলের কার্যকারিতা কমে যায়।

ক্রোমোজোম ক্ষয়প্রাপ্ত হয়: আমরা যদি ডিএনএকে একটা সুতার মত ধরি, তাহলে সেটির মাথায় একটি ক্যাপ বা ঢাকনা থাকে যা আমাদের ক্রোমোজোমসমূহকে রক্ষা করে। এটা অনেকটা জুতোর ফিতার মাথা যেমন প্লাস্টিক দিয়ে মোড়ানো থাকে তেমন হয়।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ঢাকনাগুলো আলগা হয়ে যেতে থাকে, ফলে আমাদের ক্রোমোজোমসমূহের কোন সুরক্ষা থাকে না। মানে হলো তখন সেগুলো নিজেদের প্রতিলিপি বানাতে ভুল করে থাকে। সন্তান উত্‍পাদন প্রক্রিয়া তখন কিছুটা জটিল হয়ে পড়ে।

কোষের আচরণ বদলে যায়: আমাদের শরীরের অভ্যন্তরে ডিএনএ এক্সপ্রেশন নামে একটি প্রক্রিয়া আছে, যেখানে একটি কোষের মধ্যে থাকা হাজারো জিন নির্ধারণ করে ঐ কোষের কার্যক্ষমতা, অর্থাত্‍ ঐ নির্দিষ্ট কোষটি শরীরের ত্বক হিসেবে কাজ করবে না মস্তিষ্ক হিসেবে আচরণ করবে। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এবং জীবনযাপন পদ্ধতির কারণে সেই কোষের আচরণ বদলে যেতে শুরু করে।

কোষ নবায়নের সক্ষমতা হারিয়ে যায়: ক্ষয় হয়ে যাওয়া কোষের পরিমাণ যাতে না বাড়ে, সেজন্য আমাদের শরীরের ক্রমাগত নতুন কোষ তৈরির ক্ষমতা আছে।কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের সেসব দক্ষতা কমে যায়। তখন কোষসমূহ অপ্রয়োজনীয় অথবা বিষাক্ত প্রোটিন জমাতে শুরু করে, যেগুলো চোখের ছানি, আলঝেইমার বা পারকিনসন্স রোগের কারণ হয়ে ওঠে।

কোষের পরিপাক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ হারায়: সময়ের সাথে সাথে শরীরের কোষসমূহ চর্বি বা চিনি জাতীয় উপাদানকে প্রসেস বা পরিপাক করার ক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে।এজন্য বয়স বাড়ার পর বিভিন্ন রোগ যেমন ডায়াবেটিস হবার শঙ্কা বাড়ে, আর সেটি সারা পৃথিবীতেই একটি সাধারণ রোগ।।

মাইটোকন্ড্রিয়া কাজ বন্ধ করে দেয়: মাইটোকন্ড্রিয়া শরীরের কোষে শক্তি যোগান দেয়, কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে তাদের কর্মক্ষমতা কমে যায়। আর মাইটোকন্ড্রিয়া যখন ঠিকমত কাজ করতে পারে না, সেটা ডিএনএ’র জন্য খারাপ।তবে, কিছু গবেষণা বলছে, মাইটোকন্ড্রিয়ার কর্মদক্ষতা যদি নতুন করে বাড়ানো যায়, তাহলে সমস্ত স্তন্যপায়ী প্রাণীর আয়ু বাড়ানো সম্ভব হবে।

কোষ ভৌতিক হয়ে যায়: কোন কোষ যখন বাজেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন সেটি কাজ করা বন্ধ করে দেয়। কিন্তু কাজ বন্ধ করলেই কোষের মৃত্যু হয় না।এই কোষগুলো তখন ভৌতিক কোষে পরিণত হয়। এবং নিজের চারপাশের কোষগুলোকেও জোম্বি বা ভৌতিক কোষে পরিণত হতে সাহায্য করে। এর ফলে শরীরে জ্বালাপোড়ার মত উপসর্গ দেখা দেয়।

স্টেম সেলের শক্তি কমে যায়: বয়স বাড়ার সাথে সাথে কমে যায়, যে কারণে তার পুনরুত্‍পাদনের ক্ষমতা কমে যায়।কিন্তু বিজ্ঞনীরা দেখেছেন, স্টেম সেলের এই শক্তি কমে যাওয়া ঠেকানো গেলে বয়স বাড়ার গতি কমিয়ে দেয়া যেত।

নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় কোষ: শরীরের মধ্যে সারাক্ষণই কোষেরা নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে সেই যোগাযোগ কমতে থাকে।এর ফলে শরীরে জ্বালাপোড়া, কথাবার্তা বলতে সমস্যা হতে পারে।

এর ফলে শরীরের সতর্ক একটা ভাব হারিয়ে যেতে থাকে। বয়স বাড়া যদিও একটি স্বাভাবিক এবং অনিবার্য প্রক্রিয়া। বিজ্ঞানীরা বলছেন স্বাস্থ্যকর লাইফস্টাইল বা জীবনযাপন পদ্ধতির মাধ্যমে বয়স বাড়ার গতিকে হয়তো কিছুটা দূরে রাখা যায়।

আপনার বিভিন্ন সমস্যার সমাধান বা অজানা উত্তরের জন্য বিনামূল্যে আমাদের প্রশ্ন করতে পারবেন। প্রশ্ন করতে দয়া করে প্রবেশ, কিংবা নিবন্ধন করুন।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি উত্তর
1 উত্তর
0 টি উত্তর
1 উত্তর

9.6k টি প্রশ্ন

7.5k টি উত্তর

250 টি মন্তব্য

1.2k জন সদস্য

প্রশ্ন করুন
ক্যোয়ারী অ্যানসারস এ সুস্বাগতম, এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন, বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।

বিভাগসমূহ

ক্যোয়ারী অ্যানসারস এ প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, কোনভাবেই ক্যোয়ারী অ্যানসারস দায়বদ্ধ নয়।
...