81 বার ভিউ
"ব্যক্তিগত" বিভাগে করেছেন

আমার ১২ ডিসেম্বর ২০১২ তে এক ছেলের সাথে বিয়ে হয়। আমি তাকে ভালোবাসতাম এবং আমার পরিবারের অমতে সম্পূর্ণ গোপনে বিয়ে করি। আমাদের বিয়ের সময় আমি সার্টিফিকেট অনুযায়ী ১৭ বছর বয়সী ছিলাম কিন্তু আসল বয়স ২০ বছর ছিল, ছেলেটির আসল বয়স ৩০ বছর ছিল। বিয়েতে তার পরিবারের দুজন সাক্ষী ছিল এবং একজন হুজুর কিছু দোয়া পড়ে আমাদের তিনবার কবুল বলতে বলে এবং দুইলক্ষ টাকা দেনমোহর ঘোষণা করে বিয়ে হয়েছে বলে জানায়। সেখানে কোনো কাবিননামা ছিল না এবং আমার বা ছেলের বা সাক্ষীদেরও কোনো সই ছিল না কিংবা কোনো প্রমাণও ছিল না।

আমি বিয়ের পর আমার বাসায় থাকতাম আর ছেলেটি তার বাসায়। বিয়ের ছয় মাসের মাথায় জানতে পারি সে আমাকে পুরোপুরি ধোঁকা দিয়েছে। সে সম্পূর্ণ মিথ্যা পরিচয়ে আমাকে বিয়ে করেছে এবং আমাদের বনিবনা হচ্ছিল না। আমি তার কাছে তালাক চাই এবং সে দিতে অস্বীকৃতি জানায় এবং সামাজিকভাবে হেয় করে। এমতাবস্থায় আমি পুলিশি সহায়তায় তার নামে মামলা করি এবং সে কিছুদিন জেল খাটে। তারপর আর বিরক্ত করেনি। কিন্তু তালাকও দেয়নি।

এখন পারিবারিকভাবে বিয়ে দেয়া হচ্ছে কিন্তু বাসায় প্রথম বিয়ের কথা জানে না। সে বলেছে তালাক দেবেনা কিন্তু আমি তালাক চাই। এখন দ্বিতীয় বিয়ে আমি কীভাবে করব? দ্বিতীয় বিয়ে কি বৈধ হবে আমার জন্য? দ্বিতীয় বিয়ের বৈধতার জন্য কী করতে হবে আমাকে? যদি প্রথমজন তালাক না দেয় তবে আমাকে কি সারাজীবন এভাবেই থাকতে হবে? প্রথম বিয়েটা কি বৈধ ছিল? দেনমোহর আমাকে দেওয়া হয়নি এবং আমিও দাবিও করিনি। আমি শুধু তালাক চাই। ওই ছেলের সাথে বিগত তিন বছর যাবত কোনো যোগাযোগ নেই। আমি তার কাছে থেকে শুধু মুক্তি চাই। সে বিয়ে করেছে কি না জানি না। কিন্তু আমি আমার জীবন আবার নতুন করে শুরু করতে চাই।

1 উত্তর

1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর

আপনি যেভাবে লিখেছিলেন যে প্রথম বিয়েতে কোন কাবিন নামা নেই, আপনি ও আপনার স্বামী কিংবা কোন সাক্ষীদের সই কোথাও নেই- সেক্ষেত্রে আইনত আপনাদের বিয়ে বৈধ হয়নি। আইনত জটিলতা না থাকলে দ্বিতীয় বিয়েতে কোন বাঁধা নেই। যদি কাবিন নামা হতো, তাহলে সেই কাবিন নামার কপি আপনি যে কোন কাজী সাহেবের কাছে নিয়ে খোলা তালাক দিতে পারতেন। আপনাকে কিছুই তেমন করতে হতো না। কাবিন নামার কপি কাজী সাহেবের কাছে নিয়ে গেলে তিনিই কিছু অর্থের বিনিময়ে বাকি ব্যবস্থা করে দিতেন ও কী কী করতে হবে বলে দিতেন। যেহেতু কাবিন নামাই নেই, তাই প্রথম বিয়ে বৈধ ছিল ও সেটায় তালাক দিতে হবে - এই ভয় মন থেকে সরিয়ে ফেলুন।

image

আপনাদের দুজনের মতের অমিল হয়নি ও বনিবনা হচ্ছে না, এবং ৩ বছর যাবত আপনারা আলাদা হয়ে গিয়েছেন। ছেলেটির যদি ফিরে আসার থাকতো, সে এতদিনে ফিরে আসার চেষ্টা করতো। মনে হয় না তাঁর ফিরে আসার কোন ইচ্ছা আছে। আর সেটা থাকলেও লাভ নেই, কেননা তাঁর কাছে কোন আইনত বৈধ প্রমাণ নেই যা দিয়ে সে আপনার জীবনে সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই নির্ভয়ে নতুন জীবন শুরু করতে পারেন।

তবে হ্যাঁ, যাকে বিয়ে করতে চলেছেন তাঁকে হয়তো সমস্ত সত্য জানিয়েই বিয়ে করাটা ভালো হবে। নিদেন পক্ষে অতীতে একটি প্রেম ছিল সেটি জানিয়ে রাখা উচিত হবে। এসব ব্যাপার খুবই সেনসিটিভ হয়। পরবর্তীতে পূর্ব প্রেমের কথা তিনি জানতে পারলে আবারও অশান্তিতে পতিত হবে আপনার জীবন।

পরামর্শ দিয়েছেন-রুমানা বৈশাখী

করেছেন

উত্তরের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ :)

আপনার বিভিন্ন সমস্যার সমাধান বা অজানা উত্তরের জন্য বিনামূল্যে আমাদের প্রশ্ন করতে পারবেন। প্রশ্ন করতে দয়া করে প্রবেশ, কিংবা নিবন্ধন করুন।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

9.6k টি প্রশ্ন

7.5k টি উত্তর

250 টি মন্তব্য

1.3k জন সদস্য

প্রশ্ন করুন
ক্যোয়ারী অ্যানসারস এ সুস্বাগতম, এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন, বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
ক্যোয়ারী অ্যানসারস এ প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, কোনভাবেই ক্যোয়ারী অ্যানসারস দায়বদ্ধ নয়।
...