"ইসলাম ধর্ম" বিভাগে করেছেন
মানুষ মারা যাওয়ার পর কবরে যে আজাব হবে, তা কোনো মানুষ বুঝতে পারে না। তবে পশু-পাখিরা নাকি বুঝতে পারে। এ কথা কতটুকু সত্য? ইসলামের দৃষ্টি থেকে জানতে চাই ?


2 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন

হ্যাঁ, কথাটি সত্য। মানুষ অনেক কিছু বুঝতে না পারলেও কিছু কিছু মাখলুকাতকে আল্লাহতায়ালা কিছু জিনিস বুঝতে দেন। মাখলুকাতের মধ্যে কেউ কেউ বুঝতে পারে মর্মে বর্ণনা পাওয়া গেছে। কবরে আজাবের বিষয়গুলো পশুজগত অনেকটা বুঝতে পারে। তবে সেই বুঝটা কোন ধরনের বুঝ, সে সম্পর্কে হাদিসে কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা নেই।
তারা কি বুঝতে পারে, এটা আল্লাহ সুবহানাহুতায়ালাই সবচেয়ে ভালো জানেন। এ বিষয়টি আমাদের বুঝতে দেওয়া হয়নি। কারণ কবরের আজাব যদি মানুষ সত্যিকারভাবে বুঝতে পারত, তাহলে মানুষের দুনিয়াবি জীবন সম্পূর্ণ বিপন্ন হয়ে যেত, বিষণ্ণ হয়ে যেত। মানুষ এত বেশি চিন্তায় পড়ে যেত যে, তার জীবনযাত্রা অচল হয়ে যেত। এ জন্যই হয়তো আল্লাহ সুবহানাহুতায়ালা মানুষের কাছ থেকে এই ক্ষমতা উঠিয়ে নিয়েছেন।
যেমন, আমরা গুনাহ করলেও গুনাহের ভার কী, এর আকার কী, তার কিছুই আমরা বুঝতে পারি না। কিন্তু সেগুলো তো আমরা বহন করে যাচ্ছি। অনুরূপভাবে কবরের আজাবটাও একই পর্যায়ের। আল্লাহ সুবহানাহুতায়ালা মেহেরবানি করেছেন। তাঁর বান্দারা পার্থিব জীবনটা যাতে করে যাপন করতে পারে, এই জীবনটা যাতে সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত না হয়, এ জন্য মেহেরবানি করেছেন, অনুগ্রহ করেছেন যে আল্লাহ সুবহানাহুতায়ালা এটাকে গোপন করে দিয়েছেন।
কিন্তু আল্লাহ মাখলুকাতের মধ্যে কাউকে কাউকে এর কিছু রূপ উপলব্ধি করার ক্ষমতা দিয়েছেন। যতটুকু ক্ষমতা দিয়েছেন, এটা তারাই বুঝতে পারে। তবে এ কথা স্পষ্টভাবে হাদিসের মধ্যে আসেনি যে, তারা আসলে কী বুঝতে পারে। হয়তো কোথাও কোথাও কোনো কবরের আজাবের বিষয়ে তারা বুঝতে পারে। সবটাও বুঝতে পারে কি না, তা হাদিসের মধ্যে স্পষ্টভাবে পাওয়া যায়নি।

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন

হ্যাঁ, কথাটি সত্য। মানুষ অনেক কিছু বুঝতে না পারলেও কিছু কিছু মাখলুকাতকে আল্লাহতায়ালা কিছু জিনিস বুঝতে দেন। মাখলুকাতের মধ্যে কেউ কেউ বুঝতে পারে মর্মে বর্ণনা পাওয়া গেছে। কবরে আজাবের বিষয়গুলো পশুজগত অনেকটা বুঝতে পারে। তবে সেই বুঝটা কোন ধরনের বুঝ, সে সম্পর্কে হাদিসে কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা নেই।
তারা কি বুঝতে পারে, এটা আল্লাহ সুবহানাহুতায়ালাই সবচেয়ে ভালো জানেন। এ বিষয়টি আমাদের বুঝতে দেওয়া হয়নি। কারণ কবরের আজাব যদি মানুষ সত্যিকারভাবে বুঝতে পারত, তাহলে মানুষের দুনিয়াবি জীবন সম্পূর্ণ বিপন্ন হয়ে যেত, বিষণ্ণ হয়ে যেত। মানুষ এত বেশি চিন্তায় পড়ে যেত যে, তার জীবনযাত্রা অচল হয়ে যেত। এ জন্যই হয়তো আল্লাহ সুবহানাহুতায়ালা মানুষের কাছ থেকে এই ক্ষমতা উঠিয়ে নিয়েছেন।
যেমন, আমরা গুনাহ করলেও গুনাহের ভার কী, এর আকার কী, তার কিছুই আমরা বুঝতে পারি না। কিন্তু সেগুলো তো আমরা বহন করে যাচ্ছি। অনুরূপভাবে কবরের আজাবটাও একই পর্যায়ের। আল্লাহ সুবহানাহুতায়ালা মেহেরবানি করেছেন। তাঁর বান্দারা পার্থিব জীবনটা যাতে করে যাপন করতে পারে, এই জীবনটা যাতে সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত না হয়, এ জন্য মেহেরবানি করেছেন, অনুগ্রহ করেছেন যে আল্লাহ সুবহানাহুতায়ালা এটাকে গোপন করে দিয়েছেন।
কিন্তু আল্লাহ মাখলুকাতের মধ্যে কাউকে কাউকে এর কিছু রূপ উপলব্ধি করার ক্ষমতা দিয়েছেন। যতটুকু ক্ষমতা দিয়েছেন, এটা তারাই বুঝতে পারে। তবে এ কথা স্পষ্টভাবে হাদিসের মধ্যে আসেনি যে, তারা আসলে কী বুঝতে পারে। হয়তো কোথাও কোথাও কোনো কবরের আজাবের বিষয়ে তারা বুঝতে পারে। সবটাও বুঝতে পারে কি না, তা হাদিসের মধ্যে স্পষ্টভাবে পাওয়া যায়নি।

প্রশ্ন-উত্তরে অংশগ্রহণ করে অর্থ উপার্জন জন্য এখানে নিবন্ধন করুন, বিস্তারিত জন্য এখানে প্রবেশ করুন

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

5.3k টি প্রশ্ন

4.9k টি উত্তর

130 টি মন্তব্য

513 জন সদস্য

প্রশ্ন করুন
ক্যোয়ারী অ্যানসারস এ সুস্বাগতম, এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন, বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
ক্যোয়ারী অ্যানসারস এ প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, কোনভাবেই ক্যোয়ারী অ্যানসারস দায়বদ্ধ নয়।
...