533 বার ভিউ
"ইসলাম ধর্ম" বিভাগে করেছেন

আমার আম্মু সৌদি আরবে থাকেন। উনি তিন মাস পরপর টাকা পাঠান। কিন্তু আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিস্টার ফি দিতে হয় এক মাস পরপর। আবার সব সময় আমাদের বাসায় টাকা থাকে না। আমার আপু স্বর্ণকারের দোকানে স্বর্ণ রেখে টাকা নিয়ে আসে, পরে যত টাকা আনি ওই টাকা তো দিতেই হয়, আবার সুদও দিতে হয়। এখন আমরা কী করতে পারি। এতে করে আমার পড়ার যে খরচ দেওয়া হয়, সেটা কি হারাম হবে? আর অন্য কারো কাছ থেকে টাকা না পেলে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয় আমাদের। 

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন

যদি এমন হয় যে আপনাদের কাছে আর কোনো ব্যবস্থা নেই, তাহলে আপনারা মোত্তারের মাসয়ালার মধ্যে চলে আসবেন। যেহেতু বাধ্য হয়ে গেছেন। কাজটা মন্দ, কিন্তু বাধ্য হওয়ার কারণে করতে হচ্ছে। তাহলে এর জন্য আপনারা আর গুনাহগার হবেন না। কিন্তু এটি জায়েজ না, হালাল বা বৈধ নয়। কিন্তু গুনাহ থেকে হয়তো বাঁচতে পারেন যদি আপনি মোত্তার হন বা বাধ্য হয়ে যান।

কারণ আপনার কাছে আর কোনো টাকা নেই, আর কেউ আপনাকে সাহায্যও করছে না। এ ক্ষেত্রে কারো কাছ থেকে যদি ধার নিতে পারেন, সেটা সবচেয়ে উত্তম। অর্থাৎ চেষ্টা করতে হবে, এ পদ্ধতি থেকে বের হওয়ার জন্য। যদি আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেন, তাহলে আমার বিশ্বাস, অবশ্যই আপনার জন্য কোনো পথ বেরিয়ে আসবে।

আল্লাহ সুবানাহুতায়ালা বলেছেন, ‘যে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনকে ভয় করে, সত্যিকার তাকওয়ার যে নীতি রয়েছে, সেটার অনুসরণ করে, আল্লাহ সুবানাহুতায়ালা তাঁর জন্য বের হওয়ার পথ তৈরি করে দেন।’

তাই আমরা যদি বের হওয়ার জন্য চাই, তাহলে আল্লাহতায়ালা হয়তো আমাদের জন্য বের হওয়ার সে পথ করে দেবেন। সেই চেষ্টাটুকু করুন।

আপনার বিভিন্ন সমস্যার সমাধান বা অজানা উত্তরের জন্য বিনামূল্যে আমাদের প্রশ্ন করতে পারবেন। প্রশ্ন করতে দয়া করে প্রবেশ, কিংবা নিবন্ধন করুন।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

9.6k টি প্রশ্ন

7.5k টি উত্তর

250 টি মন্তব্য

1.1k জন সদস্য

প্রশ্ন করুন
ক্যোয়ারী অ্যানসারস এ সুস্বাগতম, এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন, বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।

বিভাগসমূহ

ক্যোয়ারী অ্যানসারস এ প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, কোনভাবেই ক্যোয়ারী অ্যানসারস দায়বদ্ধ নয়।
...