37 বার ভিউ
"রোগ ব্যাধি" বিভাগে করেছেন
আমার গ্যাস্ট্রিকের প্রচন্ড সমস্যা রয়েছে। প্রতিবেলাতেই খাওয়ার আগে ওষুধ খেয়ে নিতে হয়। এছাড়া খাবার দাবার অনেক নিয়ম মেনে খেতে হয়। রোজা রাখার কারণে খাবার ও ওষুধ খাওয়ার নিয়মে ঝামেলা হচ্ছে বলে গ্যাসের সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় আমি কী করতে পারি ?


1 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন

রোজা রাখার ফলে গ্যাসের সমস্যা বেড়ে যায় অনেকেরই। এমনকি যাদের কোনো ধরনের গ্যাসের সমস্যা নেই তাদেরও এই সমস্যাটি দেখা দেয়। এর মূল কারণ হল ভাজা পোড়া খাওয়া এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি না খাওয়া। ইফতারে যতটা সম্ভব ভাজা পোড়া খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। এর পরিবর্তে ফলমূল জাতীয় খাবার, যাদের দুধে গ্যাস হয় না দুধ চিড়া ইত্যাদি খাওয়া উচিত। এছাড়া হজমের সমস্যা দূর করার জন্য ঈসুবগুলের ভূষি খাওয়া উচিত। সেহরিতে এমন খাবার খাওয়া উচিত যা থেকে গ্যাস না হয়। শাক, ডাল, ডিম এই জাতীয় তরকারি যতটা পারা যায় এড়িয়ে চলা উচিত। ঠান্ডা জাতীয় খাকার বিশেষ করে দই, শসা ইত্যাদি খাওয়া উচিত। এছাড়া সেহরিতে যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি মেনে চলা প্রয়োজন তা হল বেশি করে পানি পান করা। একমাত্র পানি আপনাকে সারাদিন সুস্থ স্বাভাবিক রাখতে পারে। পানির বিকল্প কোনোকিছুই নেই। তাই সেহরিতে প্রধান খাবার গ্রহণের পরে বেশি করে পানি পান করুন।

অনেকেই আছেন যারা সেহরিতে খাবার খান না আবার অনেকেই আছেন সেহরিতে অনেক বেশি খেয়ে ফেলেন। সেহরীতেও খুব বেশি খাওয়াও যেমন ঠিক না তেমনি সেহরি একেবারে না খাওয়াও ঠিক না | কেননা খুব বেশি খেলে হজমে সমস্যা হয়ে থাকে আবার সেহরি একেবারে না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যায়।তাই এমনভাবে খেতে হবে যেন শারীরিক কোনো অসুস্থতা না দেখা দেয়। এক্ষেত্রে পুরো পেট ভরে না খেয়ে একটু ক্ষুধা রেখে খেতে হবে। তারপর আধা ঘন্টা পর পানি খেতে হবে। প্রতিবেলার খাবার হতে হবে সহজপাচ্য,পরিমিত ও যার যার শারীরিক চাহিদা অনুযায়ী। চিনি যুক্ত খাবার বাদ দিতে হবে | কেননা এটা খুব তাড়াতাড়ি রক্তে চিনির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, ফলে ওজন বাড়ে। সুষম খাবার (balance diet) খেতে হবে ৷ ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার যেমন : লাল আটা , বাদাম , ছোলা, ডাল ইত্যাদি খেতে হবে | এগুলো হজম হয় আস্তে আস্তে তাই অনেক সময় পরে ক্ষুধা লাগে। সহজ পাচ্য খাবার , ঠান্ডা খাবার যেমন : দই, চিড়া খাওয়া যায় |তাহলে সারাদিন রোজা রাখা নাজুক পাকস্থলী শান্তিতে খাবার হজম করতে পারবে |diebetis এর রোগীরা পরিমিত পরিমাণে, ডাক্তার এর নির্দেশ মোতাবেক খাবেন | এছাড়া রোজার মাসে junk food বাদ দিলে, সুষম খাবার খেলে দেহের অতিরিক্ত মেদ কমবে, ফিটনেস বাড়বে।

রমজান মাসে রোজা রাখার কারণে যাদের ওষুধ খাওয়ার নিয়মের সমস্যা হয় বা অনেকেই আছেন খাওয়ার পূর্বে ওষুধ খেতে ভুলে যান তারা রেবিপ্রাজল ২০ mg (বাজারে রেব , রেবিজল ,ফিনিক্স ইত্যাদি ব্রান্ড নামে পাওয়া যায়)খেতে পারেন। এই ওষুধের একটি বিশেষ সুবিধা হল আপনি যদি খাবার আগে ওষুধ খেতে ভুলেও যান, খাবার পরেও এই ওষুধটি খেতে পারেন। বর্তমানে অনেক রোগীই তাদের গ্যাসের সমস্যা দূর করতে এই ওষুধটি সেবন করছেন। 

ধন্যবাদ 

আপনার বিভিন্ন সমস্যার সমাধান বা অজানা উত্তরের জন্য বিনামূল্যে আমাদের প্রশ্ন করতে পারবেন। প্রশ্ন করতে দয়া করে প্রবেশ, কিংবা নিবন্ধন করুন।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

9.6k টি প্রশ্ন

7.5k টি উত্তর

250 টি মন্তব্য

1.2k জন সদস্য

প্রশ্ন করুন
ক্যোয়ারী অ্যানসারস এ সুস্বাগতম, এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন, বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।

বিভাগসমূহ

ক্যোয়ারী অ্যানসারস এ প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, কোনভাবেই ক্যোয়ারী অ্যানসারস দায়বদ্ধ নয়।
...