46 বার ভিউ
"চুলের যত্ন" বিভাগে করেছেন

খুশকি সমস্যা দূর করার উপায়

1 উত্তর

1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর

স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেই  ত্বকের মৃত কোষগুলো ঝরে পরে। মাথার ত্বকের এই মৃতকোষকেই খুশকি বলে। খুশকি চুলের একটি অস্বস্তিকর  সমস্যা । খুশকি সমস্যাটি ভীষণ  অস্বস্তিকর হলেও সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে এটি নির্মূল করা সম্ভব। একটু সচেতন হলেই খুশকির সমস্যা এড়ানো সম্ভব। শীত মৌসুমে বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকে তাই খুশকিও বেশি হয়।  সেবোরিক ডার্মাটাইটিস নামক রোগের কারণে অনেক সময় খুশকি হয়ে থাকে। এ রোগে রোগীর মাথার ত্বকে খুশকির পাশাপাশি  ছোট ছোট দানার মতো কিছু গোটা হয় এবং  অতিরিক্ত চুলকানি হয়।

খুশকির সমস্যা সমাধানের কৌশল নিম্নরূপঃ

খুশকির কারণ যেটাই হোক না কেন, খুশকি থেকে মুক্তি পেতে  হলে প্রয়োজন বিশেষ ধরনের খুশকিনাশক শ্যাম্পু। খুশকির সমস্যার জন্য কিটোকোনাজল ও জিংক পাইরিথিওন নামক উপাদানসমৃদ্ধ শ্যাম্পু ব্যবহার করা উচিৎ।

অস্বস্তিকর এই খুশকি অনেক বেশি হলে এক দিন পরপর খুশকিনাশক শ্যাম্পু ব্যবহার করা প্রয়োজন।

অল্প পরিমাণে খুশকি হলে ২-৩দিন পরপর খুশকিনাশক শ্যাম্পু ব্যবহার করা দরকার।অস্বস্তিকর খুশকির তেমন সমস্যা না থাকলেও শীত মৌসুমে  সপ্তাহে ১বার খুশকিনাশক শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন।

আমলা্র রস ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি মাথার ত্বকে লাগিয়ে সারারাত রাখুন। পরদিন সকালে ধুয়ে নিন।

২ টেবিল চামচ লেবুর রস  মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করবেন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে নিবেন। এরপর ১ কাপ পানিতে ১ চা চামচ লেবুর রস মিলিয়ে নি্বেন। লেবুর রস মিলানো পানি দিয়ে মাথার সব চুল ধুয়ে নিবেন। সবশেষে শ্যাম্পু করে নিন।বিরক্তিকর খুশকি দূর না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।

৩-৫  টেবিল চামচ নারকেল তেল  মাথার ত্বকে ভালোমতো  ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। এক ঘণ্টা পরে চুল ধুয়ে নিন ও তারপর শ্যাম্পু করে ফেলুন।

প্রথমে  চুল পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিবেন। তারপর মাথার ত্বকে দুই টেবিল চামচ বেকিং সোডা ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিবেন। এরপর আবার চুল ধুয়ে নিবেন।বেকিং সোডা খুশকির জন্য দায়ী ছত্রাকগুলোর ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। তবে লক্ষ্যনীয় বেকিং সোডা ব্যবহারের পর চুলে শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না। প্রাথমিকভাবে চুলে একটু শুষ্কভাব দেখা দিলেও ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ধীরে ধীরে চুলের আর্দ্রতা আবার ফিরে পাবেন।

এছাড়াও আরও খুশকির সমস্যা সমাধানের কৌশলঃ

পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় সব কটি পুষ্টি উপাদানই রাখুন ।

দুশ্চিন্তামুক্ত থাকার চেষ্টা করুন।

সব সময় পরিষ্কার চিরুনি ব্যবহার করবেন।

কখনোই অন্যের চিরুনি ব্যবহার করবেন না।

চুলে ওমাথার ত্বকে  কখনোই ময়লা জমতে দেওয়া যাবে না ।

আপনার বিভিন্ন সমস্যার সমাধান বা অজানা উত্তরের জন্য বিনামূল্যে আমাদের প্রশ্ন করতে পারবেন। প্রশ্ন করতে দয়া করে প্রবেশ, কিংবা নিবন্ধন করুন।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

9.6k টি প্রশ্ন

7.5k টি উত্তর

250 টি মন্তব্য

1.1k জন সদস্য

প্রশ্ন করুন
ক্যোয়ারী অ্যানসারস এ সুস্বাগতম, এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন, বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।

বিভাগসমূহ

ক্যোয়ারী অ্যানসারস এ প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, কোনভাবেই ক্যোয়ারী অ্যানসারস দায়বদ্ধ নয়।
...