60 বার ভিউ
"শিক্ষা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান" বিভাগে করেছেন
নদ এবং নদীর মধ্যে মূল পার্থক্য কি?


1 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন

নদ এবং নদীর পার্থক্য বোঝাতে এ পর্যন্ত একটি পদ্ধতি বা নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। নিয়মটি হলো : স্ত্রী এবং পুরুষ নাম জ্ঞাপক শব্দ, সাধারণত স্ত্রী নামে যে প্রবাহগুলো রয়েছে সেগুলোকে আমরা নদী নামে অভিহিত করে আসছি। যেমন- গঙ্গা, সরস্বতী, যমুনা, পদ্মা, গৌরী, ভাগীরথী, চিত্রা, নর্মদা, কাবেরী, কৃষ্ণা ইত্যাদি। আবার পুরুষ নামে যেগুলোর প্রবাহ সেসবকে বলা হচ্ছে নদ। যেমন- ব্রহ্মপুত্র, নারদ, ভৈরব, কুমার, কপোতাক্ষ, মুসা খান, মির্জা মাহমুদ ইত্যাদি। আসলে এই সূত্র নিয়েও কিছুটা বিতর্ক আছে। অধিক গ্রহণযোগ্য আরেকটি সূত্র হচ্ছে, নামের শেষে যদি আকার, একার, ওকার, ঔকার ইত্যাদি থাকে তবে নিশ্চিতভাবে সেই প্রবাহগুলো নদী নামে অভিহিত হবে। নামের শেষে এগুলো না থাকলে এবং শুধু হ্রসুকার থাকলে অবশ্যই নদ হবে। যেমন- আড়িয়ালখাঁ- এটি পুরুষ নাম জ্ঞাপক হলেও যেহেতু শেষে আকার রয়েছে সে জন্য এটি নদ না হয়ে নদী। কিন্তু মুসা খান ন-এর পরে আকার একার কিছু নেই, যে কারণে এটি নদ। সিন্ধু যেহেতু হ্রসুকার রয়েছে শেষে, যে কারণে এটি নদ। একইভাবে বালু- এটিও নদ। নীল স্ত্রী নাম জ্ঞাপক একটি প্রবাহ। যেহেতু এর শেষে আকার, একার কিছু নেই, সেই সূত্রে এটি নদ। এভাবে ঘাঘট স্ত্রী নামক জ্ঞাপক হলেও ট-এর পরে আ-কার, এ-কার নেই, যে কারণে এটিও নদ।

আপনার বিভিন্ন সমস্যার সমাধান বা অজানা উত্তরের জন্য বিনামূল্যে আমাদের প্রশ্ন করতে পারবেন। প্রশ্ন করতে দয়া করে প্রবেশ, কিংবা নিবন্ধন করুন।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

9.6k টি প্রশ্ন

7.5k টি উত্তর

250 টি মন্তব্য

1.1k জন সদস্য

প্রশ্ন করুন
ক্যোয়ারী অ্যানসারস এ সুস্বাগতম, এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন, বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
ক্যোয়ারী অ্যানসারস এ প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, কোনভাবেই ক্যোয়ারী অ্যানসারস দায়বদ্ধ নয়।
...